হোমনার চান্দেরচর ইউনিয়নে নৌকা ডুবাতে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন আ.লীগের সভাপতি-সম্পাদক

এস এ ডিউক ভূঁইয়া

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

 

কুমিল্লার হোমনার চান্দেরচর ইউনিয়নে নৌকা ডুবাতে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন দলের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক। উপজেলার চান্দেরচর ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে আনারস প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করছেন সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল বাশার মোল্লা এবং ঘোড়া প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন সাধারণ সম্পাদক মো.আনোয়ার হোসেন সরকার।ওই ইউনিয়নের দলের সহ-সভাপতি মোজাম্মেল হক নৌকা প্রতীক পেয়েছেন।নৌকা ডুবাতেই যতসব ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছেন দলের সভাপতি-

সাধারণ সম্পাদক বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে মাঠে কাজ করছেন  বলে অভিযোগ করেছেন মোজাম্মেল হক।তাদের ব্যাপারে দলের দপ্তর সম্পাদকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে বিষয়টি তিনি  নিশ্চিত করেছেন। এদিকে দলের সভাপতি-সম্পাদকই নন তাদের ইন্ধনে দেলোয়ার মাষ্টার,

দুলাল,মজনু,মুঞ্জু,শাহিন,

অহিদ,হুমায়ূন, ফারুক,ইব্রাহিম, ছগির,নজু মোল্লা, মাটি কাটার সরদার দুলাল গংরা মাঠে নেমেছেন নৌকার ভরাডুবি ঘটাতে।এ নিয়ে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

 

জানা যায়, ২৮ নভেম্বর তৃতীয় ধাপে কুমিল্লার হোমনা উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন পরিষদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।উপজেলার সবকটি ইউপিতেই নৌকার পক্ষে কাজ করছে অধিকাংশ নেতাকর্মী। কিন্তু উপজেলার চান্দেরচর ইউনিয়নের প্রেক্ষাপট একেবারেই ভিন্ন। সেখানে নৌকা ডুবাতে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন খোদ দলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক।নৌকার প্রার্থী মোজাম্মেল হক এ বিষয়ে দলের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন।এ ছাড়া অভিযোগে বলা হয়,নৌকার বিরুদ্ধে কাজ করছে দলের অপর সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান সরকার, হুমায়ন কবির মোল্লা, দানা মিয়া, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি জাকারিয়া রিয়াদ, সাধারণ সম্পাদক আরিফুল হক সরকারসহ বেশকিছু নেতাকর্মী। এতে দলের সাংগঠনিক কাঠামো ভেঙে পড়ার পাশাপাশি সংঘাত-সহিংসতার আশঙ্কা করা হচ্ছে। লিখিত অভিযোগে অবিলম্বে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দলের কেন্দ্রীয় এবং জেলা নেতাদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।