দেশ যখন করোনালয়,তখন আদুরী হল ঘরের অতিথি।

মোহাম্মদ হায়দার আলী,নির্বাহী সম্পদক:-নভেল করোনা ভাইরাস এর কারনে বাংলাদেশ যখন  করোনালয়ে রুপ নিয়েছে।টিক তখনই ঘরের নতুন অতিথি হিসেবে এসেছে হলদে টিয়া পাখি।এমন খবর দিয়েছেন হযরত শাহ সুফি সৈয়দ গোলাম মোরশেদ(মাঃ)।
তিনি তার ব্যক্তিগত ফেসবুক ওয়ালে ৭/৬/২০২০ ইং মঙ্গলবার এমন একটি বিনোদন মূলক পোস্ট করেছেন,পোস্টে তিনি লিখিছেন এভাবে..

আদুরী আমাদের ঘরে নতুন অতিথি (লাভ বার্ড)। মহামারী প্রাকৃতিক দুর্যোগ করোনা অফিসিয়াল ছুটিতে বাড়িতে অবস্থান করে টাউনের বাসায় ফিরে আসার পর আমাদের ঘরে নতুন অতিথি আসছে আজ বিকেল বেলা।আসরের নামাজের পর দরজা খুলে দেখি বারান্দার রেলিং এর দাঁড়িয়ে আছে সুন্দর হলুদ ও লাল বর্ণের কিউট টিয়া পাখিটি । ছবি তোলার সাথে সাথে ঐ টিয়া পাখিটি আমাদের ঘরের ভিতর ঢুকে যায়,

নতুন সদস্য হিসেবে আমরাও সাদরে গ্রহণ করি। আমার ভাইপো সৈয়দ জুনায়েদ মোস্তফা ইবনুল টিয়া পাখির নাম দেন আদুরী।বাড়িতে থাকার কারণে এতদিন ঘরের দরজা বন্ধ ছিল। ঘর খোলার সাথে সাথেই পাখিটি আমার ঘরে এসে হাজির । সেই মিষ্টি আদুরী পাখিটি তার আপন খেয়ালে সারা এ ঘর ঐ ঘর ঘুরে বেড়াচ্ছে । করোনায় বিপর্যস্ত অসহায় মানসিক অবস্থাকে কিছুটা শান্তির পরশ বুলিয়ে দেয় এই পাখিটি।

দেশের এমন পরিস্থিতির মাঝে একটু বিনোদন হতেই পারে।আর হলদে টিয়া পাখি কারো ঘরে অতিথি হওয়া মানে আরও খুশির খবর। টিয়া পাখি কত কথা কয়, তার বলা বাক্য গুলু অত্যন্ত শ্রুতিমধুর হয়।টিয়া পাখি হরেক রকমের তবে হলুদ টিয়া পাখি গুলু সব সময় কোলাহল যুক্ত হয়। পোষাপাখি টিয়া স্বাধীনমন নিয়ে এদিক সেদিক ঘুরতে ভালবাসে।আর নানা কথা শুনাতে ও ভালবাসে।আহ! যদি টিয়া পাখিটি করোনার বিষয়ে কিছু বলত কতই না উপকার হত!দূর পাখি ত পাখিই, সে কি আর করোনা বুঝে!বুজতে হবে আমাদের।থাকতে হবে সতর্ক।